1. live@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা : দৈনিক পার্বত্য বাংলা
  2. info@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় সাবেক হেডম্যান যুহন ত্রিপুরাকে পুনর্বহালের দাবি। দুর্গাপুরে আইন-শৃ*ঙ্খ*লা কমিটির সভা অনুষ্ঠি*ত, “মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারে*ন্স ঘোষনা”। মহেশখালীতে ৮ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, আটক (২)। চুরি নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—রহস্য ঘনীভূত খাগড়াছড়ির মহালছড়ি। বর্ণাল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি নিয়ে প্রতিবাদ, পুনর্গঠনের দাবি। কুলিয়ারচরে রাত ৮টার পর দোকান খোলা, ৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ইউনুস আলী। খাগড়াছড়িতে হোটেল-রেস্টুরেন্টে অভিযান, একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন। আগুনে পুড়ল ঘর-সংসার, সহায়তার হাত বাড়াল সিংড়া প্রশাসন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে উপনির্বাচন ঘিরে তৃণমূলে নানা আলোচনা।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিনিধি:মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার খবরে ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা। তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) সংসদীয় আসনটি শূন্য হবে। আর এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী কে হচ্ছেন—তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব রয়েছে মির্জা পরিবারের। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল পৌর চেয়ারম্যান হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন (চখা মিয়া) ছিলেন পৌর মেয়র, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী।
বর্তমানে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন। দীর্ঘদিন জেলা বিএনপির নেতৃত্বে থাকা এবং দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জাও। চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও গবেষক শামারুহ মির্জা গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন। ফলে মির্জা ফখরুলের অনুপস্থিতিতে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন—এমন আলোচনা রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, চায়ের আড্ডা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন ঘুরছে একই প্রশ্ন—উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন কে?
তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী মির্জা ফয়সল আমিনকে এগিয়ে রাখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন জেলা বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ তাকে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখতে পারে।
অন্যদিকে শামারুহ মির্জার পক্ষেও রয়েছে আগ্রহ। বিশেষ করে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে দলের একটি অংশ তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে বলে আলোচনা রয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত কে দলীয় মনোনয়ন পাবেন, তা নির্ধারণ করবে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। জেলা বিএনপির নেতারা বলছেন, দল যাকেই প্রার্থী করবে, তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন তারা।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মামুন উর রশিদ বলেন, “দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা তার হয়েই কাজ করব। বিগত নির্বাচনে বিপুল ভোটে ধানের শীষের জয় হয়েছে। উপনির্বাচনে এর চেয়ে বেশি ভোটে নির্বাচিত হবে, ইনশাআল্লাহ।”
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, “জেলায় বিএনপির মধ্যে কখনো গ্রুপিং বা বিভক্তি ছিল না। দলের প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্ব ও মনোনয়ন বোর্ড যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই আমাদের প্রার্থী হবেন। আমরা তার জন্য কাজ করব। আমরা ঐক্যবদ্ধ, আমাদের বিজয় হবে।”
সম্ভাব্য প্রার্থিতার বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, “আমার বাবা ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সে সময় আমি স্কুলছাত্র। তখন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আমাদের পরিবার ব্রিটিশ আমল থেকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমাদের খাবার টেবিলেও রাজনীতির চর্চা হয়।”
তিনি বলেন, “আমার বাবা জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আমার ভাইও জেলা বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমিও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। এ অঞ্চলের মানুষের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তারা আমাদের কখনো ছেড়ে যায়নি, আমরাও তাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম।”
মির্জা ফয়সল আমিন আরও বলেন, “নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ অনেকেই আমাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান। আবার কেউ কেউ আমার ভাতিজি শামারুহ মির্জাকে দেখতে চান। তবে সবার চাওয়াই আমাদের পরিবারের মধ্য থেকে।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “দলের এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ব্যাপারে দল যাকেই মনোনয়ন দেবে, তার জন্য জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে আমার যে দায়িত্ব, সেটি পালন করব। দল যোগ্যতার বিচারে যে কাউকেই মনোনয়ন দিতে পারে।”
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন হলে বিএনপির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। মির্জা পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব, দলের সাংগঠনিক শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা—সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই দলকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখন অপেক্ষা কেবল দলীয় মনোনয়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট