
ডেক্স রিপোর্ট : আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতদিন অভিযান চালিয়ে কাউকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করতেন এপিবিএনের সদস্যরা।
সোমবার (২৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন সাপেক্ষে এপিবিএনের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচারপদ্ধতির বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুলিশ বাহিনীর অধীন এপিবিএন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবে এ বাহিনী।
এ ছাড়া সন্ত্রাস, মাদক, মানব পাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার দায়িত্বও এপিবিএনের ওপর থাকবে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্সের অধীনে গঠিত এ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ সংশোধন করে বাংলায় নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জনমতও যাচাই করা হয়েছে।
নতুন আইন কার্যকর হলে এপিবিএনের কার্যক্রম ও আইন প্রয়োগের সক্ষমতা আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।