1. live@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা : দৈনিক পার্বত্য বাংলা
  2. info@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় সাবেক হেডম্যান যুহন ত্রিপুরাকে পুনর্বহালের দাবি। দুর্গাপুরে আইন-শৃ*ঙ্খ*লা কমিটির সভা অনুষ্ঠি*ত, “মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারে*ন্স ঘোষনা”। মহেশখালীতে ৮ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, আটক (২)। চুরি নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—রহস্য ঘনীভূত খাগড়াছড়ির মহালছড়ি। বর্ণাল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি নিয়ে প্রতিবাদ, পুনর্গঠনের দাবি। কুলিয়ারচরে রাত ৮টার পর দোকান খোলা, ৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ইউনুস আলী। খাগড়াছড়িতে হোটেল-রেস্টুরেন্টে অভিযান, একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন। আগুনে পুড়ল ঘর-সংসার, সহায়তার হাত বাড়াল সিংড়া প্রশাসন।

২৯৯ নং রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনের এমপি দীপেন দেওয়ানের বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৯৯ নং রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনের এমপি দীপেন দেওয়ান শনিবার এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, গত ১৮ জুন ২০২৬ জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি অর্থ বিলে প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান আয়কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখার পক্ষে তিনি যুক্তি তুলে ধরেন এবং সরকারের কাছে তা অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেন। জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর আয়কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখার পক্ষে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।

দীপেন দেওয়ান বলেন, উপমহাদেশে ১৯২২ সালে প্রবর্তিত আয়কর আইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য আয়কর অব্যাহতির বিধান রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে আয়কর অধ্যাদেশ-১৯৮৪ এবং সর্বশেষ আয়কর আইন-২০২৩-এর মাধ্যমেও সেই সুবিধা বহাল রয়েছে। কিন্তু চলতি অর্থ বিলে বিদ্যমান সুবিধার কিছু অংশ সংশোধন করে নির্দিষ্ট কিছু আয়কে করের আওতায় আনার প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ায় তিনি সংসদে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, সংসদে ‘আদিবাসী’ শব্দের পরিবর্তে ‘উপজাতি’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে উত্থাপিত সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, তার বক্তব্য ছিল সম্পূর্ণরূপে অর্থ বিলভিত্তিক এবং সংসদীয় বিধি-বিধান ও প্রচলিত রীতিনীতি অনুসরণ করে তিনি অর্থ বিলে ব্যবহৃত পরিভাষাই হুবহু উদ্ধৃত করেছেন। এটি কোনোভাবেই জাতিগত পরিচয় নির্ধারণ বা পরিচিতি বিষয়ক বিতর্ক ছিল না; বরং অর্থ বিলে অন্তর্ভুক্ত একটি নির্দিষ্ট কর-সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত প্রদানের অংশ ছিল।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মহল তার বক্তব্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। জাতীয় সংসদে তার আলোচনার মূল বিষয় ছিল অর্থ বিলে অন্তর্ভুক্ত পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের আয়কর সুবিধা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা।

অপরদিকে, কেবল উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ নিয়ে কথা বলার অভিযোগের জবাবে দীপেন দেওয়ান বলেন, অর্থ বিলে যেহেতু তিন পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর আয়কর অব্যাহতির বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই সংসদীয় আলোচনায় তিনি সেই বিষয়েই মতামত দিয়েছেন। বাঙালি জনগোষ্ঠী সম্পর্কিত কোনো কর প্রস্তাব সেখানে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় সে বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও ছিল না।

তিনি বলেন, রাঙামাটির সকল জনগোষ্ঠীর ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় নির্বিশেষে জেলার সকল মানুষের স্বার্থ রক্ষায় তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাই হ্রদ থেকে আহরিত মাছ জেলার বাইরে সরবরাহের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ওপর উৎস কর আরোপ এবং তিন পার্বত্য জেলা থেকে অন্যত্র কাঠ পরিবহনের ক্ষেত্রে উৎস কর আরোপের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে এসব প্রস্তাব প্রাথমিক পর্যায়েই প্রত্যাহারে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য ব্যবসা এবং পার্বত্য অঞ্চলের কাঠ পরিবহনের সঙ্গে জড়িত অধিকাংশ ব্যবসায়ী বাঙালি সম্প্রদায়ের। ফলে এসব খাতে উৎস কর প্রত্যাহারের সুফল মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীই ভোগ করবেন।

সবশেষে দীপেন দেওয়ান বলেন, তার সংসদীয় বক্তব্যকে ঘিরে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে বিষয়টিকে বাস্তবতার আলোকে মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে এবং রাঙামাটির সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট