1. live@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা : দৈনিক পার্বত্য বাংলা
  2. info@www.dainikparbottobangla.com : দৈনিক পার্বত্য বাংলা :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
“হারানো বিজ্ঞপ্তি” (জরুরি সন্ধান চাই) ​একটি অসহায় পরিবার ও অবুঝ শিশুর জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসুন। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় জামে মসজিদ ভাংচুর। খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় ফেসবুকে সেই ভাইরাল মারধরের অন্তরালে কি? খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বেলছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ধংসের কবল হইতে রক্ষার আকুতি। শ্রীমঙ্গ লাইয়ারকুল জামে মসজিদে নামাজরত মুসল্লি খুন !!! সন্দেহজনক এক ঘাতক আটক। “গণবিজ্ঞপ্তি” বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব কয়টি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ। “স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র ০৮ টি জনবহুল গ্রামে পায়নি উন্নয়নের ছোয়া”। খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী বিজু ও বাংলা নববর্ষ -১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২০২৬ খ্রী উদযাপিত।

বাজারফান্ড জমি বন্ধক রেখে ঋণ খুলে দেওয়ার দাবিতে পিসিসিপির স্মারকলিপি।

জেলা প্রতিনিধি রাঙ্গামাটি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি: বাজারফান্ড জমি নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন করে দ্রুত জমি বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া খুলে দেওয়ার দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস ও সাধারণ সম্পাদক মো, হাবীব আজমের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর দিয়েছে পিসিসিপি কেন্দ্রীয় ও রাঙামাটি জেলার নেতৃবৃন্দরা।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিসিসিপি’র নেতাকর্মীর উপস্থিত হয়ে প্রধান উপদেষ্টার নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলার সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, রাঙামাটি পৌর শাখার সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে পিসিসিপি’র নেতাকর্মীরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বাজারফান্ড জমি নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাজারফান্ড জমি মর্টগেজ (বন্ধক) দিয়ে ঋণ নিতে না পারায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা অর্থ সংকটে ভুগছেন। এতে ব্যবসার পরিধি ছোট হচ্ছে, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে না, বাড়ছে বেকারত্ব। একই সঙ্গে এখানকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছে।

বাজারফান্ড এলাকায় ব্যবসা সংকোচন ও ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা বাড়ছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, শহর কেন্দ্রিক বাজারফান্ড জমির দাম বেশি হলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ব্যাংক ঋণ মিলছে না। ফলে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হচ্ছেন মূলধন সংকটে পড়তে। অনেকে ইতোমধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে বাইরে চলে যাচ্ছেন। নতুন উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নিতে পারছেন না, কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে না।

২০১৭ সালে রাঙামাটির তৎকালীন জেলা প্রশাসক প্রথমবার বাজারফান্ড এলাকার ভূমি রেজিস্ট্রির মিউটেশন মামলা স্থগিত করেন। তখন নানা দেন-দরবারের পর তা চালু হলেও ২০১৯ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ীরা ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বাজারফান্ড জমি নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা যতদিন অবসান না হবে, ততদিন পাহাড়ের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হতে থাকবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি), কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছে বাজারফান্ড জমি নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধান বের করতে হবে। পিসিসিপি উক্ত জটিলতা নিরসনে বারবার পার্বত্য জেলা প্রশাসকদের আহ্বান করলেও বিষয়টি তারা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিচ্ছে না, এতে করে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি পিসিসিপি বারবার হতাশ হচ্ছে। তাই দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে পিসিসিপি তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে অবরুদ্ধ করে রাখবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট