শামসুল আলম রুবেল বিশেষ প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলা ১৮৫ নং অযোধ্যা মৌজায় মোহাম্মদ বাবুল আক্তারের ক্রয়কৃত ০.৬০ (ষাট শতক) একর, ভুমির মধ্যে স্থিতি, কনক গাছ, ১৫ টি যার আনুমানিক মূল্য ১,০০,০০০/- জাম গাছ (জাতি) ৫টি যার আনুমানিক মূল্য ৫০,০০০/- এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ১০ টি, যার আনুমানিক মূল্য ৫০,০০০/- টাকা সর্বমোট প্রায় ২,০০,০০০/- টাকার গাছ ৪ ও ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ১০/১২ জন লেবার দিয়ে চুরি করে কেটে ০৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গাড়ীযোগো রাতের অন্ধকারে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
বাবুল আক্তার প্রতিবেদক কে বিষয়টি অভিহিত করলে তিনি স্বরজমিনে উপস্থিত হয়ে ৭৬ পিচ গাছ, ৩টি স্থানে জড়ো করা অবস্থায় দেখতে পায়। লেবার ১০/১২ জন উপস্থিত থাকলেও প্রতিবেদক এর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
বাবুল আক্তার প্রতিবেদক কে জানান, তিনি বিগত ২০১১ সালে ১৮৫ নং অযোধ্যা মৌজায় ৩৫ নং হোল্ডিং ভূমির অন্দর ০.৬০ ষাট শতক ভূমি ক্রয় করে বাগ-বাগিচা সৃজন করেন। ভূমি ক্রয় সংক্রান্ত আঞ্চলিক দলিল পত্রে স্থানীয় উপযুক্ত স্বাক্ষীসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ও কয়েকজন লোক স্বাক্ষী আছেন। তারপরও (১) আব্দুর রহিম (২) নুরু মিয়া (৩) আবুল কাশেম (৪) আবুল খায়ের (৫) আবুল হোসেন (৬) মনির মিয়া প্রকাশ মনু মিয়া (৭) আয়তাল হকসহ অপরিচিত আরো ৪/৫ জন লোক নিয়ে বিগত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে একজোট ভুক্ত হয়ে তার বাগান থেকে সু পরিকল্পিত ভাবে গাছ চুরি করে ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ করে একটি চাপালিশ গাছ যার আনুমানিক মূল্য ৪০ হাজার টাকা, ১৫ টি জাম গাছ যার আনুমানিক মূল্য ৭৫ হাজার টাকা, ২২ টি কনক গাছ যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা, ৩০ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ টাকা এ সময় ছোট বড় আরো ৫০/৬০ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ভেঙ্গে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন করে।
বাবুল আক্তার উক্ত বিষয়ে সামাজিক ভাবে কর্তনকৃত গাছ গুলি আটক ও সু- বিচার পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী) আদালত, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা। সি.আর মামলা নং- ৬৩৫/২৫ (মাটিরাঙ্গা থানা) তারিখ ১৫/১২/২০২৫ খ্রি:, ধারা- ৪৪৭/৪২৭/৩৭৯/৩৪/৫০৬(২) দন্ডবিধিতে অভিযোগ দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশকে তদন্তবার প্রদান করিলে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ সরজমিনে তদন্ত করে অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি সত্য বলে আদালতকে অবহিত করেন। আব্দুর রহিম গংদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ খানা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
তারপরও আব্দুর রহিম গং পুনরায় বিগত ৪,৫ ও ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আবারো একই অপরাধের সাথে জড়িত হইয়া গাছ কেটে চুরি করে নিয়ে বাবুল আক্তারের অপুরনীয় ক্ষতিসাধন করে।
বাবুল আক্তার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা সদস্য তাহার দীর্ঘ জীবনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ভূমি ক্রয় করেছেন এবং দীর্ঘ বছর যাবৎ গাছ- গাছালি রোপন ও যত্ন করে ভূমির উন্নয়ন সাধন করেছেন। তিনি আরো জানান অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে কোন এক সময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গোপনে তার ক্রয়কৃত ০.৬০ শতক জমি আব্দুর রহিমের নামে রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে বলে বর্তমানে লোকমুখে শুনতে পায়। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এ ধরনের অপরাধের সুবিচার পাওয়ার জন্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট জোর দাবি জানান।