
ডেক্স রিপোর্ট : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে এবং তাকে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিলে, অতিরিক্ত ওই সময়কে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সংশোধনীসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করায় এখন আর আপিল করার সুযোগ পাবেন না।
এর আগে রোববার রাতে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে তিনটি বিল পাস হয়।
পাস হওয়া বিলগুলো হলো— ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’, ‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ জোরপূর্বক গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমের শিকার কোনো ব্যক্তি মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।