মো: মাসুদ রানা: খাগড়াছড়ি জেলা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা,৩নং বর্ণাল ইউনিয়ন, ৬ নং ওয়ার্ড মাস্টার পাড়া, বাজার জামে মসজিদ টি গত ২রা জুন ২০২৬ সকাল ১০.০০ টার সময় দিবালোকে ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরে সরোজমিনে গিয়ে জানা যায় যে, মাস্টার পাড়া বাজার জামে মসজিদটি ২০১২ সালে নির্মিত হয়। মসজিদটির পাশে একটি সামাজিক কবরস্থান রয়েছে।
মাস্টার পাড়া এই সমাজে মোট ৬০ পরিবার বসবাস করেন। এই সমাজের সকল লোকই মুসলিম। এবং এই মসজিদটিতেই ওয়াক্ত নামাজ সহ জুমার নামাজ আদায় করেন। ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানার চেষ্টা করি মসজিদ নির্মান করার জন্য জমি দানকারী জনাব, মো: রফিকুল ইসলাম (প্রাত্তন মেম্বার) ৩নং বর্নাল ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বলেন, আমি এই সমাজের মুসলিম জনগোষ্ঠীর ইবাদতের জন্য বিগত ২০১২ সালে আমার নিজ নামীয় রেকর্ডীয় ০.০৩ একর ও এই জমির অন্দর আমার দখলীয় নাদাবী মুলে ০.০৩ একর সর্বমোট ০.০৬ একর জমি দান করি। আমার নিকট থেকে মসজিদ কমিটি জমি দান গ্রহনের পরবর্তীতে মসজিদ নির্মান করেন, এবং অত্র সমাজের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ এখানে ওয়াক্তের নামাজসহ জুম্মার নামায আদায় করেন। মসজিদ টি দীর্ঘ বছর অত্র স্থানে ডন্ডিয়মান থাকা অবস্থায় বিগত ২০২১ সালে অত্র এলাকায় বসবাসকারী প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমের নিকট মসজিদের পার্শ্ববর্তী ধান্য জমি ১.১৩ একর বিক্রি করি এবং দীর্ঘ ০৫ বছর পূর্বে জমি পরিমাপ করে দখল হস্তান্তর করি।
গত ০২ রা জুন ২০২৬ তারিখে ফাতেমা বেগম তার ০২ ছেলে (১) মো: ফারুক (২) মো: হাছান কে নিয়ে সকাল ১০.০০ টার সময় মসজিদে এসে অতর্কিতভাবে মসজিদের বারান্দা যেখানে মুদ্দার খাট রাখা হয় সেটি ভাংচুরসহ মসজিদের বেশ কয়েকটি টিন দা দিয়ে কুপিয়ে কেটে ক্ষতি করে। যা অত্যান্ত দু:খ জনক আমি তাহার এমন ঘৃণিত কাজের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সু- বিচার কামনা করি বলে দাবী করেন।
মসজিদ কমিটির সভাপতি জনাব, মো: রফিক সওদাগর, সাধারন সম্পাদক মো: তাজুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ মো: ফরিদ মিয়াসহ উপস্থিত সমাজের সর্বস্তরের লোকজন পৃথক পৃথক ভাবে ফাতেমা বেগম ও তার ছেলেদের এমন ঘৃনিত কাজের সু বিচার দাবী করেন।
এলাকাবাসী আরো বলেন, আমরা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা কামনা করি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সু দৃষ্টি কামনা করে বলেন যে, এ ঘটনার সঠিক ও সুষ্ঠু নিরাপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ফাতেমা বেগম গংদের দ্ধারা মসজিদের জমি ফ্লিম স্টালে দখল করার পায়তারা, মসজিদ ভাংচুরসহ, ক্ষতিসাধনের বিষয়টি আমলে নিয়ে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশা করেন।