মো: জয়নাল আবেদীন মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় আদর্শগ্রাম (মধ্যপাড়া) ৪ নং পৌরওয়ার্ডে গত ২৭ মে ২০০২৬ তারিখের প্রকাশিত ফেসবুক লিংকটির তর্থ্য মিথ্যা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন একই গ্রামের বসবাসরত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ লোকজন সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
আমাদের দৈনিক পার্বত্য বাংলার অনুসন্ধান টিমের নিকট বলেন যে, ফেসবুকের ঐ লিংকে যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে তা উদ্দেশ্য প্রণোদীত কাল্পনিক রাজনৈতিক হেয়প্রতিপন্ন করা।
প্রত্যক্ষদর্শী মতে বিগত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার আমলের প্রথম দিকে নুরু মিয়া ও কাজলি বেগম গং আওয়ামী শক্তির প্রভাব বিস্তার করে কাজলী বেগম এর মৃত পিতা মো: বেলাল হোসেন, পিতা গুরা মিয়া এর নামীয় ২০১ নং ধলিয়া মৌজা ২১৬ নং হোল্ডিং ভূমির ৫.০০ (পাঁচ) একর, ভূমির অন্দর ১.৬৪ (এক একর চৌষট্টি শতক) একর ভূমি। যাহা বিগত ৩০/০৫/১৯৮৮ ইং সনে আঞ্চলিক দলিল মূলে মো: বেলাল হোসেন এর নিকট থেকে মো: জহিরুল ইসলাম ক্রয় করে ভোগদখলরত হন। মো: জহিরুল ইসলাম তার নগদ টাকার প্রয়োজনে ঐ জমি মো: আবুল হাসেম এর নিকট বিগত ০৪/০২/১৯৯২ ইং সনে বিক্রয় করে আবুল হাসেম কে জমির দখল প্রদান করেন। তৎকালীন পার্বত্য জেলাতে জমি রেজিষ্ট্রেশন প্রকৃয়া বন্ধ ও জঠিলতার কারনে মো: বেলাল হোসেন এর নিকট থেকে কোন ব্যাক্তিই রেজিষ্ট্রেশন নিতে পারেন নাই। পরবর্তীতে রেজিষ্ট্রেশন প্রকৃয়া চলমান হলে তৎপরবর্তীতে মো: বেলাল হোসেনের নিকট থেকে জমিটি রেজিষ্ট্রেশন নেওয়ার জন্য আবুল হাসেম প্রস্তাব করলে মো: বেলাল হোসেন জমিটি আবুল হাসেম কে রেজিষ্ট্রেশন দিবে বলে ১,৫০,০০০/- টাকা আঞ্চলিক দলিল মুলে গ্রহন করেন।
মো: বেলাল হোসেন এর মৃত্যু জন্মিত কারনে আবুল হাসেম আইনের ম্যারপ্যাচে পরে এবং ওয়ারিশ হিসাবে কাজলী বেগম গং তাদের নামে ওয়ারিশান সনদ প্রাপ্ত হইয়া বন্টননামা বের করেন, এবং উক্ত জমি নুরু মিয়া অর্থাৎ কাজলী বেগম এর স্বামীর নামে রেজিষ্ট্রেশন করে নিয়েছে বলে গ্রামবাসী কাজলী বেগমদের মুখে শুনতে পায় বলে জানান।
জমির মূল্য বৃদ্ধি ও লোভের কারনে কাজলী বেগমগং আওয়ামী শক্তিতে বলিয়ান হইয়া বেআইনিভাবে আবুল হাশেম গংদের আঞ্চলিক মূলে ক্রয় কৃত ভূমির উপর নির্মিত বসতবাড়ি (৪৫ ফুট) লম্বা ০১টি মাটির দেওয়াল ঘর আওয়ামী সন্ত্রাসী গুষ্টির ২৫/৩০ জন লোক দিয়ে রাতারাতি ভাঙচুরসহ ঘরে রক্ষিত মালামাল লুটপাট করে।
তৎকালীন সময় আবুল হাসেম গং তার পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে পরনের কাপড় চোপড় ছাড়া আর কিছু নিতে পারে নাই। উক্ত বিষয়ে কোন ব্যক্তি প্রতিবাদ তো দূরের কথা পুলিশ প্রশাসন পর্যন্ত নিরব ভূমিকা পালন করে।
বিগত ২৭ মে ২৬ আবুল হাসেম গং ঈদুল আজহা উপলক্ষে তার ভাইয়ের বাড়ীতে বেড়াতে আসলে কাজলী বেগমগং বিগত সময়ের অপরাধের বিষয়টি চিন্তা করে কৌশলে আবুল হাসেম গংদের মারধর করে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর পরিকল্পনা করে ফেসবুকে ভূয়া তর্থ্য প্রচার করে গ্রামের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য ছবি এডিড করার মাধ্যদিয়ে এ ধরনের তর্থ্য প্রচার করছে বলে দাবী করেন এলাকাবাসী। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাধারন জনগন আরও বলেন যে, ফেসবুকের ঐ গঠনা প্রচারের পূর্বেই আবুল হাসেম গংদের শৌর চিৎকার শুনে আমরা এগিয়ে আসি, মাটিরাঙ্গা থানাতে বিষয়টি অবগত করি পুলিশ গণনাস্থলে আসেন, উভয় পক্ষের আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। এধরনের কোন অপরাধ আমরা দেখি নাই।
এলাকাবাসী বলেন, আমরা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ও সু- শৃক্ষলকতা কামনা করি, এবং সঠিক ও সুষ্ঠু নিরাপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পূর্বে থেকে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কাজলী বেগম গংদের দ্ধারা বিক্রিত জমি ফ্লিম স্টালে দখল, ক্ষমতার দাপটে বসতবাড়ী ঘর ভাংচুরসহ, ঘরে রক্ষিত সকল মালামাল লুট, অপুরনীয় ক্ষতিসাধন, পরিকল্পিত ভাবে রেজিষ্ট্রেশন হইতে বঞ্চিত, পূর্বপরিকল্পিত ভাবে গঠনা অন্যদিকে মোড় দেওয়ার কৌশল হিসাবে গঠনা বির্কৃত করে ফেসবুকে মিথ্যা তর্থ্য প্রদান ও প্রতারনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের কামনা করেন।