সাইফুল ইসলাম (মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি): খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন ৫ নং বেলছড়ি ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড বেলছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০৬ সালে জনাব, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (এমপি) মহোদয়ের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরবর্তী হতে অত্র বিদ্যালয়ে পড়া-শুনা করে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়টি হচ্ছে যে, বিদ্যালয়টি গত ২০ বছর যাবত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কবলে পড়ে যাবতীয় উন্নয়ন, শিক্ষা স্বীকৃতি, এমপিও ভুক্ত হওয়ার মত আলোর মুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বিদ্যালয়টির আশে-পাশে ০২ (দুই) কিলোমিটারের মধ্যে সরকারি কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই। অত্র এলাকার কোমলমতি শিশুদের লেখা পড়া ও ভবিষ্যৎ কালের বিষয়টি চিন্তা ভাবনা করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধে জনাব, আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া (এমপি) মহোদয় ২০০৬ সালে প্রায় ৬০ ফুট লম্বা ১৫ ফুট প্রস্থ, ০২ টি বাথরুম টিন সেট বিশিষ্ট স্কুল নির্মাণ করেন।
বর্তমান বিদ্যালয়টির বিভিন্ন স্থানের বেড়া ও টিনের চাল ভেঙ্গে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ার দরুন বৃষ্টি কালীন সময়ে বিদ্যালয়টিতে বসে শিক্ষাদান ও গ্রহণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে বিদ্যালয়টিতে নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও চেয়ার টেবিল প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম থাকায় এবং পুরাতন আসবাবপত্র ভেঙে যাওয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়াতে শিক্ষার কার্যক্রম ব্যহ্নত হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবি এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে এবং শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত রাখতে অনতিবিলম্বে বিদ্যালয়টি পূর্ণমেরামতসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র একান্তই দরকার যা এলাকার গরিব মেহনতি মানুষের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, সরকারি সু-দৃষ্টি এবং মাননীয়, এমপি জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া মহোদয়ের হাতের ছোঁয়া একান্ত আবশ্যক।
অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগন দাবী করেন, স্কুলটিতে নিয়মিত শিক্ষা দানের জন্য ০৬ জন বেসরকারি শিক্ষক জনাব, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (এমপি) নিয়োগ দেন। তাহারা অদ্যাবধি নানা ঘাত- প্রতিঘাত, রাজনৈতিক অত্যাচার সহ্য করে বিনা বেতনে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা দান করে আসছেন। স্বৈরাচার সরকার পতনের পরে আশার আলো খুঁজতে থাকেন । বিনা বেতনে শিক্ষাদান কারী ০৬ জন শিক্ষক। এস এম রাকিবুল রানার তত্ত্বাবধায়নে (১) এস এম রাকিবুল রানা (২) মো: ইসমাইল হোসেন (৩) মোসা: রোকসানা আক্তার (৪) আ ন ম ফিরোজা নাছরিন (৫) প্রিয়ময় মজুমদার (৬) মো: আক্তার হোসেন আশার আলো দেখতে পান। তাদের জীবনের বৃহত্তর একটি সময় এই প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করেন। সকল শিক্ষকদের প্রানের দাবি এই বিদ্যালয়টি অনতিবিলম্বে সরকারিকরণের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ সুদৃষ্টি দিবেন।